বিজ্ঞাপন
দুলাল হোসেন পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার ৫ নম্বর বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের মান্দুলপাড়া গ্রামের আলহাজ্ব বশির আলমের একমাত্র সন্তান। দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় ব্যবসায়িক দায়িত্ব পালন করলেও নিজ এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন মানবিক সমাজসেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, তিনি শুধু একজন ব্যবসায়ী নন, বরং মানুষের বিপদে-আপদে নির্ভরতার প্রতীক।
গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) উপজেলার বুড়াবুড়ি গ্রামের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগকালে অনেক প্রবীণ নারী-পুরুষকে তার মাথায় হাত রেখে দোয়া করতে দেখা যায়। এ সময় কয়েকজন প্রবীণ বলেন, বিভিন্ন সময়ে অনেককে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখেছেন, তবে এবার তারা দুলাল হোসেন (বাচ্চু)-কেই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান।
স্থানীয়দের মতে, অল্প সময়ের মধ্যেই সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ও জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখেন। তার লক্ষ্য অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের মুখে হাসি ফোটানো।
ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। দরিদ্র পরিবারের আর্থিক সহায়তা, অসুস্থদের চিকিৎসা সহায়তা, শীতার্ত ও বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ, মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা এবং বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার সমাধানে তার সক্রিয় ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন এলাকাবাসী। ফলে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি অনেকের কাছেই অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন।
এছাড়া নিজস্ব অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা করে একটি মানবিক ও আদর্শ সমাজ গঠনের উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছেন তিনি।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দুলাল হোসেন (বাচ্চু) তার নির্বাচনী অঙ্গীকারও তুলে ধরেছেন। তার ঘোষিত অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে রয়েছে শিক্ষার উন্নয়ন, রাস্তা ও অবকাঠামো উন্নয়ন, ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন ও জনসেবা নিশ্চিত করা এবং মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ।
দুলাল হোসেন (বাচ্চু) বলেন, “ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী মানুষের সেবা করা একটি বড় ইবাদত। মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণ, রাস্তাঘাট ও বাঁধ উন্নয়নসহ জনকল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে আমি সমাজের জন্য কিছু করতে চাই। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। যতদিন বেঁচে থাকবো, ততদিন অসহায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যেতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “একটি সুন্দর সমাজ গড়তে হলে ইতিবাচক মানসিকতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই। পরিবেশ রক্ষা এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”
সামাজিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে তিনি এলাকাবাসী ও দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন। একই সঙ্গে আসন্ন ৫ নম্বর বুড়াবুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সবার সমর্থন ও ভালোবাসা প্রত্যাশা করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...