ছবিঃ AI দ্বারা নির্মিত
বিজ্ঞাপন
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যার পাশাপাশি মাথার তীব্র যন্ত্রণায় ভুগছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে তিনি রাতে ঘুমাতে পারতেন না এবং মাথার যন্ত্রণায় প্রায়ই চিৎকার করতেন। কিছুদিন আগে তাকে বরিশালের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। এর আগে একাধিকবার পাবনা মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন স্বজনরা।
নিহতের বড় ভাই মো. নাছির উদ্দিন জানান, রাতে খাবার খেয়ে নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন মিজানুর রহমান। রাত সাড়ে ১২টার দিকে মাথার যন্ত্রণায় কিছু সময় চিৎকার করলেও পরে আবার ঘুমিয়ে পড়েন। শুক্রবার তার বোন ঘুম থেকে ডাকার জন্য কক্ষে গিয়ে তাকে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলতে দেখেন। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে বিষয়টি রাজাপুর থানায় জানায়। খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং প্রাথমিক সুরতহাল সম্পন্ন করে।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস জানায়, পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...