বিজ্ঞাপন
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, সুমাইয়াকে হত্যা করে তার মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হতে পারে। তবে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে।
নিহত সুমাইয়া শিমু উপজেলার শৈলমারী গ্রামের বাসিন্দা মো. মোস্তফা শেখের মেয়ে। পাঁচ বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন চতুর্থ। তার স্বামী মো. জসীম কাজী পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি। প্রেমের সম্পর্কের পর ২০১৮ সালে তাদের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের শামিউল বারী (৬) নামে এক ছেলে রয়েছে।
নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায়ই বিরোধ সৃষ্টি হতো। শুক্রবার দুপুরেও তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এর পর সুমাইয়া তার ছেলে শামিউল বারীকে পাশের পাকুড়িয়া গ্রামের মেজ বোনের বাড়িতে রেখে কাউকে কিছু না জানিয়ে নিজ বাড়ির উদ্দেশে চলে আসেন।
পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা তাকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান শুরু করেন। একপর্যায়ে নিজ বাড়িতে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির সব দিক গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা হবে। অন্যদিকে, ঘটনার পর থেকে স্বামী মো. জসীম কাজীর অনুপস্থিতি নিয়ে এলাকাজুড়ে নানা আলোচনা চলছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...