বিজ্ঞাপন
দীর্ঘদিন ধরে এসব ভবনকে ঘিরে এমন কর্মকাণ্ড চলায় স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও সামাজিক অবক্ষয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি অফিসার্স কোয়ার্টারের মোট পাঁচটি ভবন প্রায় এক দশক আগে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে দুটি ভবনে কয়েকটি পরিবার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাস করলেও বাকি তিনটি ভবন দীর্ঘদিন ধরে কিশোরদের আড্ডাস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, পরিত্যক্ত ভবনগুলোতে নিয়মিত কিশোরদের আনাগোনা দেখা যায়। বিশ্বকাপ ফুটবল চলাকালে গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকার সময় অনেকেই রাত ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত ওই ভবনগুলোর দিকে কিশোরদের যাতায়াত লক্ষ্য করেছেন। তাদের অভিযোগ, কোয়ার্টারের পাশের সড়কে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় অন্ধকারের সুযোগে এসব কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চলতে পারছে।
স্থানীয়রা জানান, পরিত্যক্ত ভবনগুলোতে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা কিংবা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটনের আশঙ্কা রয়েছে। সম্প্রতি সরেজমিনে ভবনগুলো পরিদর্শন করে স্থানীয়রা কিছু উদ্বেগজনক আলামত দেখতে পান। তবে বিষয়টি নিয়ে কারও সম্মানহানি নয়, বরং প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট কিশোরদের অভিভাবক এবং সমাজের সচেতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করাই তাদের উদ্দেশ্য বলে জানান তারা।
এলাকাবাসীর দাবি, পরিত্যক্ত ভবনগুলোতে নিয়মিত নজরদারি, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ, অবাধ প্রবেশ বন্ধ করা এবং কোয়ার্টারের পাশের সড়কে দ্রুত ল্যাম্পপোস্ট স্থাপন করা হলে এ ধরনের অভিযোগ অনেকাংশে কমে আসবে। একই সঙ্গে সন্তানদের চলাফেরা ও কর্মকাণ্ডের বিষয়ে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তারা।
এ বিষয়ে রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরী বলেন, “রাজাপুর উপজেলায় মাদক নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকজন আসামিকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...