বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সূত্র জানায়, রাজপাট–তেতুলিয়া–নাটগ্রাম সড়কের পশ্চিম পাশে পরপর তিনটি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অব্যাহতভাবে বালু তোলা হচ্ছে। এছাড়া রাজপাট দক্ষিণপাড়ায় আরও দুটি ড্রেজার সক্রিয় রয়েছে। একইভাবে শুক্তগ্রাম নন্দীবাড়ি প্রধান সড়কের দক্ষিণ পাশে একটি এবং শুক্তগ্রামের পশ্চিমে ধোপাপাড়ার দক্ষিণ পাশে আরও একটি ড্রেজার মেশিন দিয়ে নিয়মিত বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, অনিয়ন্ত্রিতভাবে বালু তোলার ফলে উর্বর কৃষিজমির মাটির গঠন বিনষ্ট হচ্ছে। নদী বা আবাদি জমি থেকে ড্রেজারের পাইপ টানা ও ভারী যাতায়াতের কারণে গ্রামীণ কাঁচা-পাকা সড়ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে মানুষের বসতভিটা ও সামগ্রিক পরিবেশ চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। অবিলম্বে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ না করা হলে ভবিষ্যতে নদীভাঙন, সড়ক ধস এবং ফসলি জমির স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
বিষয়টি সম্পর্কে রাজপাট ইউনিয়নের তহশিলদারের নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, "ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের বিষয়ে আমি পূর্বে অবগত ছিলাম না। বিস্তারিত খোঁজখবর নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত চক্রটি অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় সাধারণ মানুষ ভয়ে সরাসরি প্রতিবাদ করতে সাহস পান না। তাই অবৈধ ড্রেজার পরিচালনা বন্ধে অবিলম্বে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি কিংবা সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিস্তারিত বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তীতে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...