বিজ্ঞাপন
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, রাত ৯টা ২৫ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সাতক্ষীরা সদর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এবং সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু করে।
সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মো. সাইফুজ্জামান (বিএফএম) জানান, হাসপাতালের মূল ভবনের পশ্চিম পাশে অবস্থিত গ্যারেজে রাখা একটি অ্যাম্বুলেন্সে তখন দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছিল। অ্যাম্বুলেন্সটির একেবারে পাশে বিভিন্ন আকারের বেশ কয়েকটি অক্সিজেন সিলিন্ডার সংরক্ষিত থাকায় পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। সিলিন্ডারের উপস্থিতির কারণে আগুনের তীব্রতা ও ধোঁয়ার প্রকৃতিতেও পরিবর্তন দেখা দেয়।
তিনি আরও জানান, পরিস্থিতির ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা প্রচলিত পানি ব্যবহারের পরিবর্তে বিশেষ ধরনের ‘ফোম’ ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেন। ফোম প্রয়োগের মাধ্যমে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় এবং রাত ৯টা ৩৫ মিনিটের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।
প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অগ্নিকাণ্ডে একটি অ্যাম্বুলেন্স, এর ভেতরে থাকা কিছু ব্যাটারি, কয়েকটি অক্সিজেন সিলিন্ডার এবং ঢাকা মেট্রো ছ ৭১-৩০০ নম্বরের অ্যাম্বুলেন্সটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া গ্যারেজ ভবনের কাঠামোরও কিছু অংশে ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন পাওয়া গেছে।
তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের ওই কর্মকর্তা।
অন্যদিকে, অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. শেখ কুদরত-ই-খুদা গণমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...