বিজ্ঞাপন
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে উপজেলার রায়হানপুর ইউনিয়নের শতকর ও সিএন্ডবি এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ব্যানারে একটি র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয়দের দাবি, র্যালি শেষে অংশগ্রহণকারী কয়েকজন অ্যাম্বুলেন্সে করে এলাকা ত্যাগ করেন। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
র্যালির ঘটনার পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন- পাথরঘাটা উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর জোমাদ্দার (৬৮), বরগুনা জেলা কৃষক লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. মাসুম বিল্লাহ (৪৬), রাসেল (৩১), ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত মো. সবুজ আকন (২০) এবং আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত মো. সুজন আকন (৩২)।
এদিকে ৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে পাথরঘাটার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাজার ও জনসমাগমস্থলে পুলিশি টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে প্রশাসন।
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলীম বলেন, গত ৩ আগস্ট রায়হানপুর ইউনিয়নে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের একটি র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। ৫ আগস্টকে সামনে রেখে সম্ভাব্য নাশকতা ও অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে পাঠানো হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নাশকতা কিংবা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে প্রশাসন সাধারণ জনগণকে গুজবে কান না দেওয়ার, আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার এবং যেকোনো সন্দেহজনক তথ্য দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...