বিজ্ঞাপন
সোমবার (৩ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মফিজুর রহমান ফরিদ মুন্সী। বক্তব্যে তিনি জানান, ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি এবং তাঁর সঙ্গে থাকা নেতৃবৃন্দ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক দায়িত্ব ও রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং গোবিন্দপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করার পর ৩ আগস্ট থেকে তিনি এবং তাঁর সঙ্গে পদত্যাগকারী নেতারা আওয়ামী লীগের কোনো রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে আর সম্পৃক্ত থাকবেন না।
তিনি উল্লেখ করেন, এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ তাঁদের ব্যক্তিগত বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি বিষয়টিকে সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত অন্য নেতারাও আওয়ামী লীগের সব ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে নিজেদের প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক এলাকা হিসেবে পরিচিত। সেই প্রেক্ষাপটে একটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতির নেতৃত্বে একযোগে ৪১ নেতার পদত্যাগ স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে পদত্যাগকারী নেতারা তাঁদের ঘোষণায় নতুন কোনো রাজনৈতিক দলে যোগদান কিংবা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি।
পদত্যাগকারী নেতারা হলেন— মফিজুর রহমান ফরিদ মুন্সী, সাইদুল ইসলাম সাবু, আবু জারা কাজী, কামরুল মুন্সী, রক্তন, মানিক মুন্সী, সজীব মুন্সী, মোজাফ্ফর হোসেন, আসাদুজ্জামান মন্টু, রফিক শেখ, শাহাবুদ্দিন শেখ, আবুবকর মুন্সী, শেখ আজগর, বাদল শেখ, রিপন শেখ, হান্নান কাজী, আব্দুল হাই শেখ, জিন্নাত শেখ, আনিস শেখ, জাকের আলী, তৈয়বুর, শহীদ শেখ, আশরাফ আলী, রুহুল আমিন, টিটুল মুন্সী, সোলেমান ফকির, ফিরোজ ফকির, লাইকোজ্জামান জামান, আলাল মুন্সী, বাবুল হোসেন, মনির মুন্সী, ওহিদুজ্জামান, ফরিদ শেখ, ওহিদ গাজী, লঞ্জুর অস্কার, আবুল হাসান ঝন্টু মুন্সী, আমিনুল ইসলাম, রুকু মিয়া, সাকায়েত লস্কর এবং খায়ের মোল্লা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...