বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় কেন্দ্রীয় দুর্গা ও কালী মন্দির কমিটি আয়োজিত জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এস এম জিলানী বলেন, দেশের সব মানুষ পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করবেন। তিনি নিজেও জীবনের সবটুকু দিয়ে কোটালীপাড়াসহ এ অঞ্চলের মানুষের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, সনাতন ধর্মমতে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে রোহিণী নক্ষত্রযোগে মথুরার কংসের কারাগারে মাতা দেবকীর গর্ভে শ্রীকৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেন। দুষ্টের দমন ও সৃষ্টির পালনের উদ্দেশ্যে শ্রীকৃষ্ণ ধরাধামে আবির্ভূত হয়েছিলেন। এ কারণেই প্রতিবছর তাঁর জন্মদিন জন্মাষ্টমী হিসেবে পালন করা হয়।
উপস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে এস এম জিলানী বলেন, নির্বাচনের আগে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, নির্বাচিত হলে তাদের সেবায় কাজ করবেন এবং পবিত্র সংসদে গিয়ে তাদের কথা তুলে ধরবেন। নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদে গিয়ে তিনি তাদের কথা বলেছেন এবং তাদের নিরাপত্তার জন্য সরকারের সহযোগিতাও চেয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘খুব শিগগিরই আমি এই কোটালীপাড়ায় একটি মডেল মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু করব। আমাকে আপনারা আশীর্বাদ করবেন, আমি যেন নির্বাচনের আগে আপনাদের দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে পারি।’
প্রফেসর গৌরাঙ্গ লাল চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ-উল-আরেফীন, প্রফেসর কার্তিক চন্দ্র বিশ্বাসসহ সনাতন ধর্মের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।
এ ছাড়া শোভাযাত্রায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম মহিউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিউর রহমান হাওলাদার, বিএনপি নেতা মানিক হাওলাদার, কাজী অমিত মাহমুদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...