বিজ্ঞাপন
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ২টায় সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে ফিতা কেটে এবং বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে ২০ দিনব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস, সাতক্ষীরা পৌরসভার সিইও মো. আসাদুজ্জামান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্ত, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রহমতুল্লাহ পলাশ, সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলুসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে আগামী ২০ দিন মেলা চলবে। সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের বিস্তৃত প্রাঙ্গণজুড়ে স্থাপন করা হয়েছে ১৫০টিরও বেশি স্টল। এসব স্টলে দর্শনার্থীদের জন্য হরেক রকমের মনোহারি পণ্য, ঐতিহ্যবাহী লৌহজাত দ্রব্য, বাঁশ ও বেতের তৈরি নান্দনিক সামগ্রী এবং বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু দেশীয় মিষ্টি প্রদর্শন ও বিক্রি করা হচ্ছে।
মেলায় শিশুদের বিনোদনের জন্যও রয়েছে বিশেষ আয়োজন। তাদের জন্য স্থাপন করা হয়েছে নাগরদোলা, মিনি রেলগাড়ি ও নৌকা রাইড।
মেলার সার্বিক শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি ও জুয়া বন্ধে আগেই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো মেলা প্রাঙ্গণ ও এর আশপাশের এলাকা সার্বক্ষণিক সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে দর্শনার্থীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো গুড়পুকুর মেলা শুধু একটি বাণিজ্যিক আয়োজন নয়; এটি সাতক্ষীরার দীর্ঘ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতির একটি সজীব প্রতিফলন। সব ধর্ম, বর্ণ ও বয়সের মানুষের অংশগ্রহণে এ মেলা স্থানীয় সামাজিক সম্প্রীতিকে আরও সুদৃঢ় করে।
প্রশাসনের সময়োপযোগী ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি এবং সিসিটিভি নজরদারির ফলে সাধারণ দর্শনার্থী ও পরিবারগুলোর জন্য মেলায় নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় উৎসবের পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...