বিজ্ঞাপন
আজ রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ‘স্বচ্ছতা’ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ, বিপিএম-সেবা এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফ রফিকউজ্জামান।
সভায় জেলার প্রতিটি পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সুসংহত রাখতে সমন্বিত ও বহুমাত্রিক পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়।
পুলিশ সুপার জানান, প্রতিটি পূজামণ্ডপকে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করে নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হবে। পূজা চলাকালে মণ্ডপগুলোতে পর্যাপ্ত সংখ্যক পোশাকধারী পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদারে সাদা পোশাকে বিশেষ পুলিশ দল দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি প্রতিমা বিসর্জনের নির্ধারিত সময়সূচি ও রুট কঠোরভাবে অনুসরণ করার পাশাপাশি প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা নিশ্চিত করতে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
সভায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য, গুজব বা উসকানিমূলক পোস্ট ছড়িয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের আশঙ্কা নিয়েও আলোচনা হয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেল ২৪ ঘণ্টা সক্রিয় থাকবে বলে জানানো হয়।
যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে গুজবে কান না দিয়ে নিকটস্থ থানায় অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি গোপালগঞ্জ পুলিশ কন্ট্রোল রুমের ০১৩২০১০০২৯৮ নম্বরে যোগাযোগ করতেও অনুরোধ করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার গোপালগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে উৎসবমুখর, নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন দুর্গাপূজা উদযাপনে জেলার সর্বস্তরের নাগরিক, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।
সভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...