বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মো. সেলিমুজ্জামান মোল্লা বলেন, “আমরা সবাই মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরাই এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে। যারা সচ্ছল পরিবারের সন্তান, তারা দেশের বাইরে পড়াশোনা করতে চলে যায়। তাই আপনাদের প্রত্যেকটি দিনকে কাজে লাগাতে হবে।”
তিনি বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা রয়েছে। এজন্য সব বিষয়ে তাদের সজাগ থাকতে হবে। আজ যারা শিক্ষার্থী, আগামী দিনে তারাই দেশ গড়ার কারিগর হবে। এখন থেকেই অনেকে নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। নিজেকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে পারলেই আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীই শিক্ষকদের সন্তানতুল্য। তাই তাদের ওপর অনেক দায়িত্ব রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন মতের মানুষ থাকবে, তবে কোনো অবস্থাতেই যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট না হয়, সেদিকে শিক্ষকদের সজাগ থাকতে হবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পারলে এ বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম সনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে।
মো. সেলিমুজ্জামান মোল্লা আরও বলেন, ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত একটি সুষ্ঠু নির্বাচনে গোপালগঞ্জের মানুষ তিনটি আসনেই বিএনপিকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছেন। তাই গোপালগঞ্জের মানুষের প্রতিও তাদের অনেক দায়িত্ব রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেতেন। বর্তমানে মাত্র ১ হাজার ৫৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। আগামী শিক্ষাবর্ষে পূর্বের মতো ৩ হাজার ১০০ শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাবে বলে তারা আশা করছেন।
তিনি শিক্ষার্থীদের সতর্ক করে বলেন, ঠুনকো কোনো বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট করা যাবে না। শিক্ষার্থীদের যেকোনো সমস্যা শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে. এম. বাবর, গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস. এম. জিলানী, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতাউর রহমান, ট্রেজারার ড. মো. খসরুল আলম, জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান, পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ, জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফ রফিকউজ্জামান প্রমুখ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...