বিজ্ঞাপন
পুলিশের দাবি, শিশুটিকে হত্যার পর তার মরদেহ সতীনের বিছানায় রেখে ঘরে তালা লাগিয়ে চলে যান তিনি। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার রহিমা টুনী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মনোহরদী উপজেলার নয়াপাড়া গ্রামে নজরুল ইসলামের একটি তালাবদ্ধ ঘরের ভেতরে বিছানার ওপর চাদরে মোড়ানো অবস্থায় শিশু তানজিমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির নানি চরমান্দালীয়া গ্রামের ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে মনোহরদী থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্তের একপর্যায়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শিশুটির মা রহিমা টুনীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের পেছনের ঘটনা ও পরিকল্পনা সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।
পুলিশ জানায়, সতীন হনুফা বেগমকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে রহিমা টুনী গোপনে নানিবাড়ি থেকে শিশুটিকে নিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে খিদিরপুর এলাকার পাড়াতলা গ্রামের একটি পুকুরের পানিতে চুবিয়ে শিশুটিকে হত্যার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। এরপর স্বামীর বসতঘরে শিশুটির মরদেহ সতীনের বিছানায় রেখে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে চলে যান বলে দাবি পুলিশের।
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা জানান, রহিমা টুনীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়েছে। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...