বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলা জজ আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ ইদ্রিস। তিনি জানান, সোমবার বিকেলে দুদকের নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক চিন্ময় চক্রবর্তী বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। মঙ্গলবার সকালে আদালতে মামলার কপি দেওয়া হয়।
আবদুল কাদের মির্জা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি। তিনি দলটির সাধারণ সম্পাদক ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই।
দুদক সূত্রে জানা যায়, আবদুল কাদের মির্জার নামে ১ কোটি ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৯৫০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তার স্ত্রী আখতার জাহান বকুলের নামে স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে ১ কোটি ৫০ লাখ ৮৩ হাজার ৪০০ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য মিলেছে। এ ছাড়া তাদের ছেলে মির্জা মাশরুর কাদের তাশিকের নামে ৮১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৪৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের সন্ধান পেয়েছে দুদক।
দুদকের সূত্রে আরও জানা যায়, ১৯৯৯ থেকে ২০০১ সাল এবং ২০১১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বসুরহাট পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে সম্পদ অর্জন করেন আবদুল কাদের মির্জা। অন্যদিকে, তার স্ত্রী গৃহিণী এবং বৈধ আয়ের কোনো উৎস না থাকা সত্ত্বেও তার নামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।
অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ও মামলার বাদী চিন্ময় চক্রবর্তী বলেন, কমিশনের অনুমোদনের পর তিনটি মামলা করা হয়েছে। তদন্তে এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...