বিজ্ঞাপন
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধ অস্ত্র পরিবহনের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেনাপোল পোর্ট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহাবুবুর রহমানের নেতৃত্বে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. সুজন হোসেন ও কনস্টেবল আ. হাইসহ পুলিশের একটি চৌকস দল মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি শুরু করে। সন্দেহভাজন একটি ইঞ্জিনচালিত ভ্যান ফিলিং স্টেশনের সামনে পৌঁছালে পুলিশ সেটির গতি রোধ করে। পরবর্তীতে ভ্যানটিতে তল্লাশি চালিয়ে চালকের আসনের ঠিক ওপরে স্থাপিত ছাউনির ভেতর সাদা পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় লুকানো একটি দেশীয় তৈরি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। এ সময় স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের উপস্থিতিতে অস্ত্র-গুলিসহ চালককে আটক করে আনুষ্ঠানিক জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা হয়।
সীমান্তবর্তী অঞ্চল হওয়ায় বেনাপোল ও আশপাশের রুটগুলো দীর্ঘদিন ধরেই চোরাকারবারিদের অন্যতম ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহারের ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে সীমান্ত পেরিয়ে অস্ত্র ও মাদকের চালান দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সাধারণ পরিবহন কিংবা যাত্রী সেজে চোরাচালানের কৌশল নতুন নয়; এই ঘটনার মাধ্যমে আবারও স্পষ্ট হলো যে পরিবহন ব্যবস্থার আড়ালে অবৈধ অস্ত্রের সরবরাহকারী চক্র সক্রিয় রয়েছে।
এ বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফ হোসেন বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে অভিযান চালিয়ে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ম্যাগাজিন ও তাজা গুলিসহ চালককে আটক করা হয়েছে। মাদকের পাশাপাশি অস্ত্র চোরাচালান ও যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অবলম্বন করে কাজ করে যাচ্ছে।” তিনি আরও জানান, আটক মিয়ারাজ গাইনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং এই অস্ত্রের নেপথ্যে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...