বিজ্ঞাপন
নিহত পাঁচ ব্যবসায়ী হলেন—জাজিরার রামকৃষ্ণপুর মাদবরকান্দি এলাকার জহির উদ্দিন মাদবরের ছেলে জুয়েল মাদবর, ডুবিসায়বর মোল্যাকান্দি এলাকার জাহান উদ্দিন মোল্লার ছেলে সালাল মোল্লা, ডুবিসায়বর কাজিরহাট এলাকার ইউনুস শিকদারের ছেলে সোহাগ শিকদার, একই এলাকার ভুসিমাল ব্যবসায়ী সামাদ ফকির এবং পালেরচর ইউনিয়নের কাথুরিয়া এলাকার রাজ্জাক বেপারীর ছেলে শাহিন বেপারী। তাঁরা সবাই স্থানীয় কাজিরহাট ও আশপাশের বাজারে দীর্ঘদিন ধরে কৃষিপণ্য, হলুদ, রড ও সিমেন্টের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। একই এলাকার সহকর্মী হওয়ায় তাঁদের মধ্যে ছিল দীর্ঘদিনের হৃদ্যতা।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভোরে যাত্রীবাহী বাসটির সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালুবোঝাই ট্রাকের তীব্র সংঘর্ষ হলে দুটি যানেরই সম্মুখভাগ দুমড়েমুচড়ে যায়। বিকট শব্দে স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে পাঠান। এদিকে নাটোরের মহাসড়কে একই সঙ্গে পাঁচ সহকর্মীর মৃত্যুর সংবাদ কাজিরহাট বাজারে পৌঁছালে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পরিবারের মাঝে কান্নার রোল পড়ে যায়। স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকায় এক হৃদয়বিদারক শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সহকর্মীদের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ কাজিরহাটের ব্যবসায়ী দিদার সরদার জানান, নিহতদের প্রত্যেকের সঙ্গেই তাঁদের ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত গভীর সম্পর্ক ছিল। তাঁদের এমন অপ্রত্যাশিত মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যাচ্ছে না।
এ বিষয়ে জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেহ আহমেদ জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সূত্রে দুর্ঘটনার তথ্য অবগত হলেও নাটোরের স্থানীয় প্রশাসন কিংবা নিহতদের স্বজনদের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ করা হয়নি। মরদেহ জাজিরায় ফিরিয়ে আনার বিষয়ে নাটোর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয় সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...