বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার বেলা প্রায় ২টা ৩০ মিনিটে সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, নিয়মিত ক্লাস চলমান থাকা অবস্থায় বহিরাগত শিক্ষার্থী নিয়ে এক শিক্ষিকা ৫০০ টাকার বিনিময়ে প্রাইভেট পাঠদান করছেন। একই সময়ে পাশের শ্রেণিকক্ষে স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম চলছিল।
এ সময় আরেকটি শ্রেণিকক্ষে সহকারী শিক্ষক হাদিউজ্জামানকে ক্লাস চলাকালীন কথোপকথনে ব্যস্ত দেখা যায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি তার নির্ধারিত ক্লাস নয়; নিয়মিত শিক্ষিকা অনুপস্থিত থাকায় তিনি দায়িত্ব পালন করছেন।
বিদ্যালয়ের ভেতরে প্রাইভেট পড়ানোর বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অনিক হালদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, স্কুলের অভ্যন্তরে প্রাইভেট পড়ানো হচ্ছে— এমন তথ্য তার জানা নেই।
বিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। অভিযোগ আছে, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান পরিচালিত হচ্ছে। শ্রেণিকক্ষের টেবিলের ওপর যত্রতত্র গাইড বই দেখা গেছে বলেও দাবি করেন স্থানীয়রা। এছাড়া বিদ্যালয়ে বেত ব্যবহারের অভিযোগও তুলেছেন অভিভাবকরা।
বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের জরাজীর্ণ অবস্থা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক অব্যবস্থাপনার চিত্র তুলে ধরে বলে মন্তব্য করেন কয়েকজন অভিভাবক।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা বাসুদেব বিশ্বাসের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...