বিজ্ঞাপন
অভিযান চলাকালে ম্যাজিস্ট্রেট বেশ কিছু গুরুতর অনিয়ম প্রত্যক্ষ করেন। দেখা যায়, বাজারে ব্রয়লার মুরগির নির্ধারিত দাম কেজি প্রতি ১৯০ টাকা হলেও ব্যবসায়ীরা সাধারণ ক্রেতাদের কাছ থেকে ২০০ টাকা আদায় করছেন। এছাড়া গরুর মাংসের ক্ষেত্রে প্রতি কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা অতিরিক্ত রাখা হচ্ছিল। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে খাসির মাংসের দোকানে; সেখানে খাসির বদলে ছাগলের মাংস মিশিয়ে ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছিল। পাশাপাশি ফলের দোকানে প্যাকেজিংয়ে অতিরিক্ত ওজন ব্যবহার করে ওজনে কারচুপির প্রমাণ পাওয়া যায়।
দুপুর পর্যন্ত চলা এই অভিযানে এসব অনিয়মের দায়ে ৭ ব্যবসায়ীকে নগদ ১২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একইসঙ্গে অন্য ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। অভিযান শেষে শাইখা সুলতানা জানান, "রমজান মাস জুড়ে জনসাধারণের স্বস্তি নিশ্চিত করতে আমাদের এই কঠোর মনিটরিং অব্যাহত থাকবে। প্রতিটি পণ্য যেন সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে, আমরা সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।"
উল্লেখ্য, প্রতিবছর রমজান এলে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দেয়। প্রশাসনের এমন 'ছদ্মবেশী' ও আকস্মিক অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। তারা মনে করছেন, নিয়মিত এমন তদারকি চললে অসাধু ব্যবসায়ীরা কারচুপি করার সাহস পাবে না।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...