বিজ্ঞাপন
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নেত্রকোনার মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের এক তরুণীর সঙ্গে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয় হয় অভিযুক্ত আবু বকর খানের। পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৩০ আগস্ট বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আবু বকর তাকে কেন্দুয়া পৌরশহরের সাউদপাড়ায় এক আত্মীয়ের বাসায় নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে তাকে স্ত্রী পরিচয়ে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি কেন্দুয়া বাজারে বিয়ের দাবিতে চাপ দিলে অভিযুক্ত আবু বকর ওই তরুণীকে লাঞ্ছিত করেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে সেখান থেকে চলে যান।
এ ঘটনায় ন্যায়বিচারের আশায় ভুক্তভোগী তরুণী ২৬ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে কেন্দুয়া থানাকে এফআইআর (FIR) রুজুর নির্দেশ দেন।
আদালতের নির্দেশে ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে কেন্দুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২০) এর ৯(১) ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়। পরবর্তীতে গত ১৭ মার্চ কেন্দুয়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সেনাসদস্য আবু বকর খানকে গ্রেফতার করে।
একই দিন তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বর্তমানে তিনি জেলহাজতে রয়েছেন বলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রেজাউল করিম জানিয়েছেন।
তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, অভিযুক্ত আবু বকর খানের পরিচিতি নম্বর ৪৫৩১২৫৫ এবং গ্রেফতারের পূর্বে তিনি যশোরের ১৪ বীর সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...