বিজ্ঞাপন
শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১১টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের বাস্তবায়নে এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ্ আল আরিফের সভাপতিত্বে পরিকল্পনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তেঁতুলিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লাইছুর রহমান।
সভায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের জনস্বাস্থ্যগত গুরুত্ব, মাঠপর্যায়ে এর সফল বাস্তবায়ন এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন মেডিকেল অফিসার ডা. মাহফুজা মুনির পূর্বা ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. শাকিল রহমান।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ডা. মো. আল আমিন মিয়া, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (এমটি-ইপিআই) আজিজার রহমান, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ফেরদৌসী আক্তার, হাসপাতাল জামে মসজিদের ইমাম মাসুদ রানাসহ হাসপাতালের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ্ আল আরিফ জানান, এবার তেঁতুলিয়া উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মোট ১৬৯টি টিকাদান কেন্দ্রে ২২ হাজার ৫০০ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৩ হাজার শিশুকে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১৯ হাজার ৫০০ শিশুকে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। কর্মসূচি সফল করতে প্রতিটি কেন্দ্রে ২ জন করে মোট ৩৩৮ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবেন এবং তাদের মাঠপর্যায়ে তদারকি ও গাইডলাইন দেওয়ার জন্য ২১ জন দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী দায়িত্ব পালন করবেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন, শিশুর স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং অপুষ্টিজনিত শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে ভিটামিন ‘এ’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই জাতীয় কর্মসূচি থেকে যেন কোনো শিশুই বাদ না পড়ে, সেজন্য নির্ধারিত বয়সের প্রতিটি শিশুকে নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য তিনি সকল অভিভাবক ও সচেতন মহলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...