ছবি : সংগৃহিত
বিজ্ঞাপন
প্রয়াত এ নেতার জন্য ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ছয় দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় জানাজার আয়োজন করেছে দেশটি।
এদিকে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে তেহরানের রাস্তায় সাধারণ মানুষ জড়ো হতে শুরু করেছেন।
দেশটির রাজধানীতে কালো পোশাক পরিহিত বাসিন্দাদের ইরানের জাতীয় পতাকা ওড়াতে ও শোক প্রকাশ করতে দেখা গেছে। এসময় কাউকে কাউকে কাঁদতেও দেখা যায়।
ইরানি কর্তৃপক্ষ শনিবার থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত খামেনির দাফন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করেছে।
খামেনির অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা একটি ছবি অনুযায়ী, কফিনটিকে একটি ছোট কক্ষে রাখা হয়েছে, যার দেয়াল ইরানের জাতীয় পতাকায় সজ্জিত।
পোস্ট অনুযায়ী, খামেনির কফিনের ওপর পবিত্র ইমাম রেজা মাজারের লাল পতাকা রাখা হয়েছে। খামেনির দাফনের আগে শুরু হওয়া রাষ্ট্রীয় শোক ও বিদায় অনুষ্ঠানে এই প্রতীকী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
আগামী ৯ জুলাই উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পবিত্র নগরী মাশহাদে অবস্থিত ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে খামেনিকে দাফন করা হবে। এর আগে দেশজুড়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক ও বিদায় অনুষ্ঠান চলছে।
আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যপ্রাচ্য ও ইসলামি রাজনীতি বিষয়ক সহযোগী অধ্যাপক নাদের হাশেমি বলেন, লাল পতাকাটি শিয়া মুসলিমদের কাছে গভীর প্রতীকী গুরুত্ব বহন করে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই লাল পতাকা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হোসাইন ইবনে আলী–এর আত্মত্যাগের প্রতীক। সপ্তম শতকে কারবালার যুদ্ধে তার শাহাদাত শিয়া মুসলিমদের কাছে ন্যায়, আত্মত্যাগ ও প্রতিরোধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।
হাশেমি বলেন, ‘খামেনির হত্যাকাণ্ডকে কারবালার ঘটনার সঙ্গে তুলনা করে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র তার মৃত্যুকে আত্মত্যাগ ও শাহাদাতের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে।’
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...