বিজ্ঞাপন
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ কথা জানান।
বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মন্ত্রী বলেন, সদ্যবিদায়ী রাষ্ট্রপতির মামলা নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করা সমীচীন হবে না।
অন্য এক প্রসঙ্গে তিনি জানান, চট্টগ্রামে জুলাই আন্দোলনে আহত ৮ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হলে তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। যেকোনো রাজনৈতিক নেতা যত প্রভাবশালীই হোন না কেন, ধর্ষণের মামলা কোনো অবস্থাতেই প্রত্যাহার করা হবে না বলেও তিনি স্পষ্ট জানান।
এর আগে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধান অনুযায়ী ২০২৮ সালের এপ্রিলে তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি মেয়াদ শেষের প্রায় দুই বছর আগেই পদত্যাগ করেন।
সংবিধানের বিদ্যমান বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ করা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সেই অনুযায়ী বর্তমান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ আপাতত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে নিযুক্ত থাকছেন। এ ছাড়া সংবিধানে পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
মো. সাহাবুদ্দিনের প্রায় তিন বছরের দায়িত্বপালনের সময়টি ছিল দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত ঘটনাবহুল। তার মেয়াদকালেই অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ শেষে অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই অল্প সময়ের ব্যবধানে তিন ভিন্ন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করানোর এক বিরল ঘটনার সাক্ষী হন তিনি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...