ছবি : সংগৃহিত
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত ১০টার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন রুকন অভিযোগটি দায়ের করেন। অভিযোগপত্রে এনসিপির ১০ নেতার নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ জুলাই বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
বাদীর দাবি, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে কোর্ট মসজিদের সামনে অবস্থানকালে এনসিপির নেতা-কর্মীরা দেশীয় অস্ত্র, লাঠি, লোহার রড ও ইটপাটকেল নিয়ে হামলা চালান। এতে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হন এবং তাদের হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, হামলার সময় পাঁচটি মোবাইল ফোন ও নগদ ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। সংঘর্ষের সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্তরা সেখান থেকে চলে যান বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ছাত্রদলের একাধিক নেতা-কর্মী এবং হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের কর্তব্যরত এক চিকিৎসককে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে নাম উল্লেখ করা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, জাতীয় নাগরিক কমিটি হবিগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক নূর আলম চৌধুরী, ফখরউদ্দিন জাকি, লাখাই উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী আতা হাই কামাল, কফিল গাজী, হবিগঞ্জ জেলা এনসিপির সদস্য সচিব মাহবুবুর বারী চৌধুরী, প্রধান সমন্বয়কারী নাহিদ উদ্দিন তারেক এবং আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তফা কামাল।
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক বলেন, ৯ জনের নাম উল্লেখ করে একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে এনসিপির সংশ্লিষ্ট নেতাদের তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...