বিজ্ঞাপন
রোববার (২ আগস্ট) দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে হঠাৎ করে স্লুইসগেটটি ধসে পড়ার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মূলতঃ এই স্লুইসগেটটির মাধ্যমেই হরিডারা নদীর পানির প্রবাহ অনায়াসে নিয়ন্ত্রণ করা হতো। কিন্তু রোববার সকাল থেকেই গেটটি ধীরে ধীরে নিচের দিকে ডেবে যেতে শুরু করে। একপর্যায়ে পানি চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে বাঁধের ওপর পানির তীব্র চাপ বৃদ্ধি পায়।
পরবর্তীতে পানির প্রচণ্ড চাপে স্লুইসগেটের পাশে থাকা ইঁদুরের গর্ত দিয়ে পানি হু হু করে প্রবেশ করতে শুরু করে এবং ভেতরে দ্রুত ভাঙনের সৃষ্টি হয়। দেখতে দেখতেই এই ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করে এবং পার্শ্ববর্তী একটি বসতবাড়ির অর্ধেক অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।
ঘটনাটি জানার পর পর ডোমার উপজেলা এলজিইডির প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ডোমার উপজেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঁদুরের গর্ত দিয়ে পানি প্রবেশের কারণেই মাটির নিচের অংশে এই ধস ও ভাঙনের সূচনা হয়েছে। বর্তমানে সামগ্রিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং যত দ্রুত সম্ভব নতুন একটি সেতু ও পানি নিয়ন্ত্রণ কাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...