বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, সম্প্রতি গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ ও মেরামত কাজ শেষ হয়েছে। তবে রাস্তার দুই পাশের মাটি এখনও পুরোপুরি শক্ত বা সেটেল (সঠিকভাবে জমে যাওয়া) হয়নি। সড়কের একেবারে কিনারায় অপরিকল্পিতভাবে স্থাপিত হওয়ায় পল্লী বিদ্যুতের ভারী এই খুঁটিটি নিচের মাটি সরে গিয়ে বিপজ্জনক অবস্থায় চলে এসেছে। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে শ শ বাস, ট্রাক, থ্রি-হুইলার ও মোটরসাইকেল যাতায়াত করে। হেলে পড়া খুঁটিটি যেকোনো সময় ভেঙে পড়লে বা তার ছিঁড়ে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে।
সড়ক সুরক্ষা ও প্রকৌশল সংক্রান্ত নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো মহাসড়কের টো-লাইনের নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপন করা বাধ্যতামূলক। এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী অনুজ কুমার দে জানান, "রাস্তার সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে এবং নির্বিঘ্নে যানবাহন চলাচলের জন্য বিদ্যুতের খুঁটি অবশ্যই টো-লাইনের বাইরে স্থাপন করা নিয়ম। তা না হলে সড়ক দুর্ঘটনার তীব্র ঝুঁকি থেকে যায়।"
ঝুঁকিপূর্ণ এই খুঁটিটির বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনো সাড়া মেলেনি। গোপালগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। একইভাবে পল্লী বিদ্যুতের নির্বাহী প্রকৌশলী (এক্সইএন) সাইফুল আলমের ফোনে বারবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এলাকাবাসীর দাবি, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত এই ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটিটি অপসারণ বা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন। সেই সাথে নবনির্মিত এই মহাসড়কের পাশে থাকা অন্যান্য বিদ্যুতের খুঁটিগুলোও পুনর্মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...