বিজ্ঞাপন
আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১টার দিকে পদযাত্রাটি সচিবালয়ের সামনে পৌঁছালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ব্যারিকেড দিয়ে তাদের পথরোধ করে। পুলিশি বাধার মুখে পড়ে নেতাকর্মীরা সেখানেই অবস্থান নেন এবং সংক্ষেপে বক্তব্য উপস্থাপন করেন বিরোধীদলীয় নেতা।
বক্তব্যে জামায়াতের আমির বলেন, এই আন্দোলন কেবল রাজধানীতে সীমাবদ্ধ নয়, আজ সারা দেশেই একই দাবিশূন্য কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। তারা সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বিশ্বাসী উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের মৌলিক দাবিগুলো সরকারের দায়িত্বশীল প্রতিনিধিদের কাছে সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই তারা সচিবালয় অভিমুখী এই পদযাত্রার আয়োজন করেছেন।
সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধির কাছে স্মারকপত্র বা দাবি হস্তান্তরের আহ্বান জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আন্দোলনরত এই মিছিল থামাতে হলে ভেতর থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী কিংবা তার মনোনীত প্রতিনিধিকে রাজপথে এসে জনগণের দাবি গ্রহণ করতে হবে। সরকার এসব দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নিলে ধন্যবাদ জানানো হবে, তবে ব্যর্থ হলে আন্দোলন কর্মসূচি থামবে না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত টানা কর্মসূচি ও একের পর এক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
একপর্যায়ে তিনি বলেন, তারা সম্মানজনক উপায়ে সরকারের প্রতিনিধির হাতে জনগণের দাবিনামা তুলে দিতে চান। প্রতিনিধি আসার অপেক্ষায় তারা সেখানে ১০ মিনিট অবস্থান করবেন এবং এই সময়ের মধ্যে কেউ দাবি গ্রহণে এগিয়ে না এলে পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে।
উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুরোধকে শ্রদ্ধা জানিয়ে আপাতত পদযাত্রা থামানো হয়েছে। তাদের এই ন্যায়সংগত দাবি যেন সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত পৌঁছে দেওয়া হয়, সে বিষয়ে সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ১১ দলীয় জোটের এই কর্মসূচিতে জোটভুক্ত বিভিন্ন শরিক দলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...