ছবি : কৃত্রিম মেধা (AI) দ্বারা নির্মিত
বিজ্ঞাপন
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে সামরিক কর্মকর্তা তৈমুর তকাচেনকো জানান, কিয়েভ অঞ্চলের ব্রোভারি জেলায় ড্রোন হামলার বিধ্বংসী প্রভাব পড়েছে। ভূপাতিত রুশ ড্রোনের বিধ্বস্ত খণ্ডাংশের (দেবী) আঘাতে আবাসিক ভবন, একাধিক যানবাহন এবং বেশ কিছু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া অনাবাসিক একটি স্থাপনায় আগুন ধরে যায়, যা নেভাতে জরুরি উদ্ধারকারী দল কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
কিয়েভ আঞ্চলিক সামরিক প্রশাসনের প্রধান তৈমুর তকাচেনকো নিহতের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, “দুর্ভাগ্যবশত, এক শিশুসহ ৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং এক শিশুসহ আরও ৩ জন আহত হয়েছেন। রাশিয়ার এই হামলা বেসামরিক জনগণের ওপর সরাসরি আতঙ্ক সৃষ্টির ধারাবাহিক রূপ।”
ইউক্রেনীয় বিমানবাহিনীর তথ্যমতে, উত্তর দিক থেকে আসা একঝাঁক আত্মঘাতী ড্রোনের উপস্থিতি টের পাওয়ার পরপরই সমগ্র কিয়েভ অঞ্চলে বিমান হামলার সতর্কঘণ্টা (এয়ার রেড অ্যালার্ট) বাজানো হয়। ড্রোন আক্রমণের পাশাপাশি উত্তর দিক থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার আশঙ্কায় পুরো কিয়েভে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। রাজধানী কিয়েভ শহরেও একাধিক বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
কয়েক মাস ধরে কিয়েভ ও এর আশপাশের অঞ্চলে আকাশপথে হামলার তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে মস্কো। সাম্প্রতিক সময়ে ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের যৌথ হামলায় ইউক্রেনের বেশ কিছু আবাসিক এলাকা ও লজিস্টিক হাব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পর্যাপ্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সংকটে থাকা ইউক্রেন প্রতিনিয়ত আকাশপথের এই ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলায় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। উদ্ধারকারী দল ও জরুরি সেবা বিভাগ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। - সুত্রঃReuters
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...