বিজ্ঞাপন
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরা সদর থানায় দায়ের করা পাঁচটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলাগুলো হলো, জিআর ৩৯৯/২৪, জিআর ৩৮০/২৪, জিআর ৪৩৮/২৪, জিআর ৪৪১/২৪ ও জিআর ৪৩৯/২৪।
মামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় ‘ক্রসফায়ারের’ নামে বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীদের হত্যার ঘটনায় হুকুম ও মদদ দেওয়ার অভিযোগে এসব মামলায় নজরুল ইসলামকে আসামি করা হয়েছে।
আদালত সূত্র জানায়, পাঁচটি মামলার মধ্যে জিআর ৩৯৯/২৪ মামলাটি ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪, জিআর ৩৮০/২৪ মামলাটি ২৭ আগস্ট, জিআর ৪৩৮/২৪ মামলাটি ২৩ সেপ্টেম্বর, জিআর ৪৪১/২৪ মামলাটি ২৫ সেপ্টেম্বর এবং জিআর ৪৩৯/২৪ মামলাটি ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে করা হয়। মামলাগুলোতে দণ্ডবিধির ৩০২, ৩৪সহ বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ রয়েছে।
সোমবার আদালতে নজরুল ইসলামকে হাজির করার পর মামলাগুলোর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালত সূত্র আরও জানায়, এসব মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার সরেজমিনে সাতক্ষীরা আদালত এলাকায় দেখা যায়, আদালত ভবন থেকে নজরুল ইসলামকে বের করে পুলিশের গাড়িতে তোলা হচ্ছে। এ সময় সেখানে তার ছেলে রাজু আহমেদ সহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
রাজু আহমেদ বলেন, আমার বাবাকে রাজনৈতিক মামলায় আটক করে কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। আমরা রাষ্ট্রের কাছে ন্যায়বিচার আশা করছি।
রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাতক্ষীরা আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. মইন উদ্দিন। আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ,এড. ওসমান গনি, সাইদুর রহমান সাইদ, আল মাহমুদ পলাশ।
এর আগে গত ২৭ জুলাই রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সেদিন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম জানান, বেলা ১২টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং এসব মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছিল ডিবি।
নজরুল ইসলাম দীর্ঘদিন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...