বিজ্ঞাপন
নতুন নিয়োগ অনুযায়ী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের গভর্নমেন্ট প্লিডার (জিপি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মাহাবুব আলম কবির। দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) পদে পুনরায় নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট মাহেব হোসেন।
এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে মো. আককাস সিকদার এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে মো. ফয়সাল খানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
দায়রা জজ আদালতর অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর বা এডিশনাল পিপি পদে নিয়োগ পেয়েছেন মো. হুমায়ুন কবীর বাবুল, মো. সোহেল আকন, খান শহিদুল ইসলাম, মোবাশ্বের আলী ভূইয়া ও মুন্সি রেজাউল হক আজিম।
এজিপি বা সহকারী সরকারি কৌঁসুলি পদে নিয়োগ পেয়েছেন একে হানিফ, মু. আহসান খান, সাকিনা আলম লিজা, মো. শাহআলম মল্লিক, জহিরুল হক খোকন ও মোর্শেদা বেগম।
এপিপি বা সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর পদে নিয়োগ পেয়েছেন মো. নুর হোসেন, আনিসুর রহমান খান, এসএম জসিম উদ্দিন, বাহাউদ্দিন হাসান অলি, শামীম আকন, সাকিনা আলম লিজা, মিজানুর রহমান মুবিন, শাখাওয়াত হোসেন রাজু, মুশফিকুর রহমান বাবু, ফিরোজ হোসাইন ও উম্মে সালমা।
নিয়োগসংক্রান্ত আদেশে পূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত সব সরকারি আইন কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল করে নতুন করে এসব আইনজীবীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরা সরকারের পক্ষে সংশ্লিষ্ট আদালতগুলোতে মামলা পরিচালনা ও আইনি কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করবেন।
বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের (জিপি-পিপি শাখা) সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ফারুক হোসাইন স্বাক্ষরিত পত্রের মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রকাশ করা হয়।
নিয়োগের পত্রে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত আইনজীবীরা ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং এর অধীন অন্যান্য আদালত, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...