ছবি : সংগৃহিত
বিজ্ঞাপন
তাহের বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে মন্তব্য করেছেন যে, এগুলো পল্টন বা শাহবাগ নয়। কিন্তু ওনার মনে রাখা উচিত ছিল, আজকে যে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন, তা শাহবাগেরই প্রোডাক্ট এবং শাহবাগই ওনাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বানিয়েছে।
জামায়াতের এই সিনিয়র নেতা আরও উল্লেখ করেন, তারা একটি সভ্য ও মার্জিত সংসদীয় সংস্কৃতি গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন বলেই সংযতভাবে সমালোচনা করেন। অথচ বিএনপির বর্তমান আচরণ অতীতের আওয়ামী শাসনকেও হার মানাচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, লাখ লাখ ভোটে নির্বাচিত হওয়া সত্ত্বেও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের সরকারি উন্নয়ন তহবিল ও প্রকল্প থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, যা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের চেতনার পরিপন্থি।
দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, বিদ্যুৎ, গ্যাস, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর ঊর্ধ্বগতি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির মতো জনদুর্ভোগ নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বিশেষ অধিবেশন ডাকার চিঠি দেওয়া হলেও সরকার তা আমলে নেয়নি।
গণভোট ইস্যু নিয়ে বিএনপির বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই আদেশের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাই বিএনপি যদি দাবি করে গণভোট সংবিধান কাভার করে না, তবে এই নির্বাচন ও তাদের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার সরকারও বৈধ থাকে না।
তিনি অভিযোগ করেন, দুর্নীতির ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর 'জিরো টলারেন্স' ঘোষণার বিপরীতে এখন দুর্নীতির মাত্রা বহুগুণ লাফিয়ে বেড়েছে এবং সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে নিজেদের ইচ্ছামতো বিল পাস করিয়ে সংসদে এক ধরনের স্বেচ্ছাচারিতা চালাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও স্পিকারের পক্ষপাতিত্ব এবং সরকারের সংসদীয় একঘেয়েমির কঠোর সমালোচনা করেন।
তিনি জানান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিলগুলো খণ্ডিত ও বিচ্ছিন্নভাবে এনে সরকার নিজেদের মতো পাস করাচ্ছে। এ ছাড়া স্পিকার সংসদে সরকারের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন এবং বিরোধী দলকে অসহিষ্ণু বানানোর চেষ্টা করছেন বলেই তারা এই প্রক্রিয়া বয়কট করেছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...