প্রতীকী এই ছবিটি এআই দ্বারা নির্মিত।
বিজ্ঞাপন
অভিযুক্ত শামীম সাচনাবাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা নিয়ে বর্তমানে মান্নানঘাট বাজারে ব্যবসা করছেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের এডিপি বরাদ্দে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাহাদুরপুর গ্রামের এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি পাকা করে। তবে কাজ শেষ হওয়ার পরপরই শামীম জোরপূর্বক রাস্তাটি বন্ধ করে দেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাস্তাটি ব্যবহারের বিনিময়ে তিনি প্রতি পরিবারের কাছে ১০ হাজার টাকা করে চাঁদা দাবি করছেন এবং ইতিমধ্যে অনেকের কাছ থেকে ২ হাজার টাকা করে আদায় করেছেন।
রাস্তাটি বন্ধ করে দেওয়ায় গত দুই মাস ধরে শত শত গ্রামবাসী ও যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। বিকল্প কোনো পথ না থাকায় স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী, মুমূর্ষু রোগী, বৃদ্ধ ও কর্মজীবী মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। জনগুরুত্বপূর্ণ এই পথটি দখল হওয়ায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এই নজিরবিহীন ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর পক্ষে হারিছ মিয়া জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে।
এ বিষয়ে জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, তিনি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দখলকারীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত শামীমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। দ্রুততম সময়ে সরকারি রাস্তাটি দখলমুক্ত করে জনচলাচলের উপযোগী করার জোর দাবি জানিয়েছেন বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দারা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...