Logo Logo

নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় শিশু-নারীসহ নিহত ৫০


Splash Image

নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জামফারা রাজ্যে সশস্ত্র বন্দুকধারীদের এক বর্বরোচিত হামলায় অন্তত ৫০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এই নারকীয় তাণ্ডব চালিয়ে হামলাকারীরা অসংখ্য নারী ও শিশুকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা নিশ্চিত করেছেন।


বিজ্ঞাপন


বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে জামফারা রাজ্যের বুক্কুয়ুম এলাকার তুঙ্গান দুতসে গ্রামে এই হামলার সূত্রপাত হয়, যা শুক্রবার সকাল পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দেড় শতাধিক মোটরসাইকেলে চড়ে আসা সশস্ত্র হামলাকারীরা গ্রামের পর গ্রাম ঘরবাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলি চালায়।

বুক্কুয়ুম সাউথের আইনপ্রণেতা হামিসু এ. ফারু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ৫০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নিখোঁজদের তালিকা তৈরির কাজ এখনো চলমান থাকায় অপহৃতদের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, হামলার আগে বিপদের আভাস পেয়ে তারা নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্ক করেছিলেন। আব্দুল্লাহি সানি নামে এক ভুক্তভোগী বাসিন্দা আক্ষেপ করে বলেন, "হামলার আগের দিনই ১৫০টিরও বেশি মোটরসাইকেলে সশস্ত্র ব্যক্তিদের চলাচলের বিষয়টি আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছিলাম, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। গত রাতে আমাদের কেউ ঘুমাতে পারেনি, গ্রামজুড়ে এখন শুধু শোকের ছায়া।"

নাইজেরিয়ায় সাম্প্রতিক ক্রমবর্ধমান সহিংসতা দমনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করেছে দেশটি। বিশেষ করে নাইজেরিয়ায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলা বন্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরব হওয়ার পর এই তৎপরতা আরও বাড়ে।

নাইজেরিয়ার সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, স্থানীয় বাহিনীকে আধুনিক প্রশিক্ষণ দিতে ইতিমধ্যে ১০০ জন মার্কিন সেনা সেখানে পৌঁছেছেন।

নাইজেরিয়ার ডিফেন্স হেডকোয়ার্টার্সের মুখপাত্র সামাইলা উবা জানিয়েছেন, মার্কিন সেনারা সরাসরি সম্মুখ যুদ্ধে অংশ না নিয়ে মূলত গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং কারিগরি সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে নাইজেরীয় বাহিনীকে শক্তিশালী করবেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...