বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন অনলাইন জুয়ায় আসক্ত থাকার ফলে রাশেদ কেবল আর্থিকভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হননি, বরং পারিবারিক ও সামাজিকভাবেও চরম সংকটের মুখে পড়েন। জুয়ার নেশায় সবকিছু হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়া রাশেদ একপর্যায়ে নিজের ভুল উপলব্ধি করতে পারেন।
পরিবারের অনুরোধ ও নিজের অনুশোচনা থেকে তিনি এই ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নেন। শুক্রবার সকালে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে দুধ দিয়ে গোসল করার মাধ্যমে তিনি অতীত জীবনের পঙ্কিলতা মুছে ফেলার অঙ্গীকার করেন।
এ সময় রাশেদ বলেন, “আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি। জুয়া আমার জীবনকে তছনছ করে দিয়েছে। আজ থেকে আমি জুয়া ছেড়ে সৎ পথে ফেরার শপথ নিলাম।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্তমান সময়ে অনলাইন জুয়া তরুণ সমাজের জন্য একটি বড় সামাজিক ব্যাধি হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাশেদের এই ফিরে আসার সিদ্ধান্তকে তাঁরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের আসক্তি থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে কেবল প্রশাসনিক নয়, বরং সামাজিক সচেতনতা ও পরিবারকেন্দ্রিক জোরালো সমর্থন প্রয়োজন।
এলাকায় এই ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। রাশেদের এই প্রতীকী প্রতিজ্ঞা বাস্তবে কতটা দীর্ঘস্থায়ী ও কার্যকর হয়, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষায় গ্রামবাসী।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...