বিজ্ঞাপন
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। সেই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপির যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই রাষ্ট্র সংস্কার এবং জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে এই রাজনৈতিক শক্তিটি।
সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপি রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনা সৃষ্টি করে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের শরিক হিসেবে ৩০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল দলটি। এর মধ্যে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ মোট ছয়জন প্রার্থী সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এক বছরের সংক্ষিপ্ত পথচলায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও সাফল্য দলটিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিস্তারিত কর্মসূচি তুলে ধরেছেন উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। তিনি জানান, আজ বিকেল চারটা থেকে ধানমন্ডি আবাহনী মাঠে মূল আয়োজন শুরু হবে। অনুষ্ঠানে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্য, ফ্যাসিবাদবিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের নেতা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
আরিফুল ইসলাম আরও জানান, ইফতার মাহফিলের পাশাপাশি সেখানে একটি বিশেষ চিত্রপ্রদর্শনী ও ‘স্ট্রিট ওয়াল’ নামে একটি ডিজিটাল প্রোমো প্রদর্শিত হবে। যেখানে গত এক বছরে দলটির রাজনৈতিক সংগ্রামের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো ফুটিয়ে তোলা হবে। আগত অতিথিদের জন্য সেখানে ফটো বুথের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানের পর বিভাগীয় পর্যায়েও কর্মসূচি ঘোষণা করেছে এনসিপি। আগামী ২ মার্চ চট্টগ্রাম, ৪ মার্চ সিলেট, ৫ মার্চ ময়মনসিংহ, ৭ মার্চ ফরিদপুর, ৮ মার্চ বরিশাল, ৯ মার্চ খুলনা, ১০ মার্চ রাজশাহী ও ১১ মার্চ রংপুরে এবং ৩ মার্চ কুমিল্লায় বিভাগীয় ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হবে। এসব কর্মসূচিতে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও দেশের বিশিষ্ট গুণীজনেরা অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে দলটি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...