বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৫ মে) চট্টগ্রামের বিভিন্ন শপিং মলে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপকালে তারা এই দাবি তুলে ধরেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে দুপুর ১২টা বা ১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যবসা পরিচালনার অনুমতি চান তারা।
ব্যবসায়ীদের মতে, সারা দিন মার্কেটে আশানুরূপ ক্রেতা সমাগম হয় না। অধিকাংশ ক্রেতাই অফিস শেষে বা সন্ধ্যার পর কেনাকাটা করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, যার ফলে মোট বিক্রির প্রায় ৬০-৭০ শতাংশই হয় সন্ধ্যার পর। বর্তমানে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দোকান বন্ধ করার নির্দেশনার ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
এই সংকট নিরসনে ‘ফ্যাশন এন্টারপ্রেনারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ (FEAB) দুপুর ১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান খোলার প্রস্তাব করেছে।
অন্যদিকে, ‘বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি’ আগামী ১০ মে থেকে ঈদ পর্যন্ত প্রতিদিন রাত ১১টা পর্যন্ত কেনাকাটার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়টি বিবেচনা করে ব্যবসায়ীরা সকাল ৯টার পরিবর্তে ১১টা থেকে দোকান খোলার প্রস্তাব দিয়েছেন, যাতে রাতে বাড়তি সময় পাওয়া যায়।
ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো বলছে, ঈদুল আজহা কেন্দ্র করে দেশীয় ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল খাতের বিক্রয় মৌসুমে গতি সঞ্চার করা জরুরি। তাদের অভিযোগ, পাড়া-মহল্লার দোকান ও রেস্তোরাঁ রাত পর্যন্ত খোলা থাকলেও শপিং মলের জন্য আলাদা সময়সীমা নির্ধারণ করায় বাজারে অসম প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হচ্ছে। সময়সূচি পুনর্বিন্যাস করা হলে উদ্যোক্তা, নারী উদ্যোক্তা এবং সংশ্লিষ্ট খাতের বিপুল কর্মসংস্থান উপকৃত হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...