বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সাম্প্রতিক বক্তব্য, ‘জুলাই সনদ’ এবং সংসদ অধিবেশন ইস্যুতে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
ডা. তাহের অভিযোগ করেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাহ্যিকভাবে গ্রহণযোগ্য মনে হলেও সন্ধ্যা থেকে কেন্দ্র দখল, জাল ভোট এবং ব্যালট কাটার ব্যাপক অনিয়মের খবর আসতে থাকে। অনেক জায়গায় জামায়াতের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, প্রায় ৫৩টি আসনে অফিশিয়ালি অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে এবং এ নিয়ে আইনি লড়াই অব্যাহত থাকবে।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের একটি সাক্ষাৎকারের সূত্র ধরে ডা. তাহের বলেন, তিনি একজন ‘রাজসাক্ষী’ হিসেবে কাজ করেছেন। রিজওয়ানা হাসান প্রকাশ করেছেন যে, নির্দিষ্ট আদর্শের শক্তিকে প্রধান শক্তিতে আসতে না দেওয়ার পরিকল্পনা আগে থেকেই ছিল। এটি স্পষ্টতই একটি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং, যার তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। ডা. তাহের দাবি করেন, সাবেক উপদেষ্টা খলিলুর রহমান প্রথম দিনেই পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে নিজের আগের শপথ ভঙ্গ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, খলিলুর রহমান ‘লন্ডন কনস্পিরেসি’র মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে সুবিধা দিয়েছেন এবং পুরস্কার হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ পেয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, অ্যাডভোকেট শিশির মনির এবং প্রচার বিভাগের সদস্য জাহিদুর রহমান। নেতৃবৃন্দ নির্বাচনী অনিয়মের সঙ্গে জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...