বিজ্ঞাপন
সিএএস জানিয়েছে, সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশন আপিলের জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়েছিল, কারণ সিএএফ তাদের রায়ের পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা তখনও প্রকাশ করেনি। সেনেগাল সরকারের পক্ষ থেকেও এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ‘সন্দেহজনক দুর্নীতি’ তদন্তের দাবি তোলা হয় এবং বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির আহ্বান জানানো হয়।
এক বিবৃতিতে সিএএসের মহাপরিচালক ম্যাথিউ রিব বলেন, “আমরা বুঝতে পারছি যে দলগুলো এবং তাদের সমর্থকরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। সকল পক্ষের ন্যায্য শুনানি নিশ্চিত করে যত দ্রুত সম্ভব এই মামলার নিষ্পত্তি করা হবে।”
তবে সাবেক সিএএফ ডিসিপ্লিনারি প্যানেল প্রধান রেমন্ড হ্যাক জানিয়েছেন, এ ধরনের আপিল নিষ্পত্তি হতে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
গত ১৮ জানুয়ারি মরক্কোর রাজধানী রাবাতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে সেনেগাল ও মরক্কোর ম্যাচ ঘিরেই এই বিতর্কের সূত্রপাত। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে মরক্কোকে পেনাল্টি দেওয়ার সিদ্ধান্তে মাঠে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় পর্যন্ত স্কোর ছিল গোলশূন্য। সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে কোচ পাপে থিয়াওর নেতৃত্বে সেনেগাল খেলোয়াড়রা প্রায় ১৫ মিনিট মাঠের বাইরে অবস্থান করেন। দর্শকদের মধ্যেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং কিছু ভক্ত মাঠে ঢোকার চেষ্টা করেন।
খেলা পুনরায় শুরু হলে মরক্কোর ব্রাহিম দিয়াজের নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন সেনেগালের গোলরক্ষক এদুয়ার্দো মেন্দি। পরে অতিরিক্ত সময়ে সেনেগাল একমাত্র গোল করে জয় নিশ্চিত করে এবং শিরোপা উদযাপন শুরু হয়।
এর আগে ম্যাচে সেনেগালের একটি গোল বাতিল করা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়। রেফারি আব্দুলায়ে সেকের ফাউলের অভিযোগে গোলটি বাতিল করেন, যদিও টিভি রিপ্লেতে সিদ্ধান্তটি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
পরে মাঠে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে সিএএফ প্রথমে সেনেগালকে জরিমানা ও নিষেধাজ্ঞা দিলেও ফল পরিবর্তন করেনি। কিন্তু আপিল বোর্ড রায় বদলে সেনেগালকে ‘ফাইনালের অযোগ্য দল’ ঘোষণা করে এবং ম্যাচের ফল ৩-০ ব্যবধানে মরক্কোর পক্ষে দেয়।
এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টের রায়ের দিকে তাকিয়ে আছে ফুটবল বিশ্ব।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...