Logo Logo

উচ্ছেদের পরও ফের দখল

গোপালগঞ্জ মেডিকেল এলাকায় অবৈধ দোকান, দুর্ভোগে রোগী-স্বজ


Splash Image

গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক আবারও অবৈধ দখলে চলে যাওয়ায় জরুরি স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। উচ্ছেদ অভিযানের কয়েক দিনের মাথায় সড়কের দুই পাশে পুনরায় অস্থায়ী দোকানপাট ও স্থাপনা গড়ে ওঠায় সড়কটি এখন প্রায় অচল। এতে অ্যাম্বুলেন্স চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় মুমূর্ষু রোগীদের জীবনঝুঁকি বাড়ছে।


বিজ্ঞাপন


গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মধ্যবর্তী এই সড়কটি দুই ভবনের মাঝে রোগী স্থানান্তরের একমাত্র মাধ্যম। প্রতিদিন স্ট্রেচার কিংবা অ্যাম্বুলেন্সে করে অসংখ্য রোগীকে এক ভবন থেকে অন্য ভবনে নেওয়া হয়। তবে সড়ক সংকুচিত হয়ে পড়ায় বর্তমানে স্বাভাবিক চলাচলও দুষ্কর হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের দুই পাশের ফুটপাত দখল করে ফলের দোকান, খাবারের হোটেল ও নানা অস্থায়ী স্টল বসানো হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে দোকানের বর্ধিতাংশ মূল সড়কের ভেতরে চলে আসায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। আগে যে পথ পাড়ি দিতে পাঁচ মিনিট লাগত, এখন সেখানে ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় ব্যয় হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্যস্ততম এই সড়কে যানজটে প্রায়ই আটকে থাকছে অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি সেবার যানবাহন। ২০২৩ ও ২০২৪ সালে গোপালগঞ্জ পৌরসভা ও জেলা প্রশাসন একাধিকবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করলেও নিয়মিত নজরদারির অভাবে দখলদাররা বারবার ফিরে আসছে।

ভুক্তভোগী পথচারীরা জানান, এটি হাসপাতালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক হওয়া সত্ত্বেও এখানে বিশৃঙ্খলা কাম্য নয়। অনেকে মনে করেন, সড়কটি যেহেতু প্রায় ৬০ ফুট প্রশস্ত, তাই মাঝখানে ডিভাইডার দিয়ে চার লেনের রাস্তা করা হলে চলাচল আরও সুশৃঙ্খল হতে পারে।

এলাকাবাসীর দাবি, কেবল সাময়িক উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। সড়কটি দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত তদারকি, কঠোর আইনগত ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। অন্যথায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা অনাকাঙ্ক্ষিত প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...