বিজ্ঞাপন
জানা গেছে, বরগুনা জেলার আমতলী এবং কলাপাড়ার চাকামইয়া ইউনিয়নের দুটি মহিষের মধ্যে এই লড়াই হওয়ার কথা ছিল।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত রবিবার রাত থেকেই এই আয়োজন বন্ধ করতে প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়। সোমবার সকাল ৭টার দিকে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, স্থানীয় বন বিভাগের কর্মকর্তা এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘অ্যানিমেল লাভার্স পটুয়াখালী’-এর সদস্যরা সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা স্থানীয় এলাকাবাসীকে প্রাণি অধিকার বিষয়ে সচেতন করেন এবং তাদের হস্তক্ষেপে লড়াইটি শেষ পর্যন্ত বন্ধ করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রাণিকল্যাণ আইন, ২০১৯-এর ৪ ও ৬(১)(ছ) ধারা অনুযায়ী কোনো প্রাণীকে লড়াইয়ের উদ্দেশ্যে প্ররোচিত করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই আইনের ১৬(ক) ধারা মোতাবেক এ ধরনের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাকামইয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. মজিবর ফকিরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইয়াসিন সাদেক সংবাদমাধ্যমকে জানান, এর আগেও এই এলাকায় মহিষের লড়াই বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। প্রাণিকল্যাণ রক্ষায় তারা স্থানীয় জনগণকে সচেতন করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...