বিজ্ঞাপন
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চেচেন প্রধান রমজান কাদিরভের অনুগত এই বাহিনীগুলো ইরান বনাম মার্কিন-ইসরায়েলি সংঘাতকে একটি ‘ধর্মীয় যুদ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করেছে। তারা এই লড়াইকে ‘জিহাদ’ বা মন্দের বিরুদ্ধে ভালোর লড়াই বলে আখ্যা দিয়ে জানিয়েছে যে, মার্কিন ও মিত্র বাহিনীর আগ্রাসন থেকে ইরানকে রক্ষায় তারা সরাসরি ময়দানে নামতে প্রস্তুত।
উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা বিমান হামলা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে পেন্টাগন এখন ইরানে স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। মূলত গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনা চলাকালীন এক আকস্মিক সংঘাতের মাধ্যমে এই পরিস্থিতির সূত্রপাত ঘটে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনি, উচ্চপদস্থ সামরিক কমান্ডার এবং দক্ষিণ ইরানের মিনাবে ১৭০ জনেরও বেশি স্কুলশিক্ষার্থীসহ বেসামরিক নাগরিকদের হত্যার পর এই যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনা এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে অন্তত ৮৬ দফা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এদিকে, এই যুদ্ধে ইউক্রেনীয় বাহিনীর উপস্থিতি নিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তেহরান।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি এক চিঠিতে জানিয়েছেন, মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনে কিয়েভ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন।
বিরাজমান এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে চেচেন বাহিনীর ইরানের পক্ষে লড়াইয়ের ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে ধারণা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
সূত্র: প্রেস টিভি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...