যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক পরিবহন বিমান। ফাইল ছবি
বিজ্ঞাপন
রোববার (৫ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিধ্বস্ত যুদ্ধবিমানের ‘ওয়েপন সিস্টেম অফিসার’ এবং পাইলটকে উদ্ধারে কয়েকশ সেনা সদস্য এই বিশেষ অভিযানে অংশ নেন। উদ্ধারকৃত অফিসার একজন সম্মানিত কর্নেল পদমর্যাদার সেনা কর্মকর্তা। তাকে ইরান থেকে সফলভাবে বের করে কুয়েতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে সেখানকার একটি সামরিক হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে।
অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরে নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, প্রাথমিকভাবে ক্রুদের উদ্ধারে দুটি পরিবহন বিমান ইরানে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু কারিগরি কারণে বা প্রতিকূলতায় বিমান দুটি সেখানে আটকা পড়ে। পরবর্তীতে আটকে পড়া ক্রু ও কমান্ডোদের ফিরিয়ে আনতে আরও তিনটি পরিবহন বিমান পাঠায় পেন্টাগন।
ইরানের একটি স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, মার্কিন কমান্ডোরা দেশটির একটি দুর্গম অঞ্চলে একটি অস্থায়ী রানওয়ে তৈরি করেছিল, যেখানে পরিবহন বিমানগুলো আটকা পড়ে। যেহেতু আগের দুটি বিমান পুনরায় উড়িয়ে আনা সম্ভব হচ্ছিল না, তাই সেগুলো ইরানিদের হাতে পড়া ঠেকাতে মার্কিন বাহিনী নিজেরাই বিমান দুটি ধ্বংস করে দেয়।
এদিকে এই সফল উদ্ধার অভিযানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক বার্তায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উল্লাস প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, “আমরা তাকে উদ্ধার করেছি! প্রিয় আমেরিকান নাগরিকগণ, গত কয়েক ঘণ্টায় মার্কিন সামরিক বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্যতম সাহসী এক অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান সফলভাবে পরিচালনা করেছে। আমাদের একজন অসাধারণ ক্রু মেম্বার অফিসার এখন সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুস্থ আছেন।”
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, শত্রু ভূখণ্ডের ভেতরে প্রবেশ করে নিজেদের কর্মকর্তাদের এভাবে উদ্ধার করে নিয়ে আসা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্যতম দুঃসাহসিক একটি অপারেশন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...