বিজ্ঞাপন
২০২৫ সালের নভেম্বর মাস থেকে উক্ত কর্মসূচীতে শিশুদের মাঝে শুধু মাত্র দুধ বিতরণ করে আসছে এবং
সিডিউল অনুযায়ী প্রতিদিন উল্লেখিত আইটেম না দিয়ে বঞ্চিত করা হচ্ছে কোমলমতি শিশুদের।
প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বলেন ২০২৫ সালে নকলা উপজেলায় ১১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট ১৬ হাজার ৮ শত ৬১ জন শিক্ষার্থীর তালিকা এবং ২০২৬ সালে তা বেড়ে প্রায় ১৭ হাজার ২শত শিক্ষার্থীর তালিকা পাঠানো হয়েছে। খাবারের মান নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মনিরুল বলেন, এটা আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে। কিছু শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকে, অসুস্থ থাকে তাই স্কুল অনুযায়ী ১০% হারে খাবার কম দেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন,মাঝে মাঝে পঁচা কলা এবং পঁচা ডিমও পাচ্ছে অনেকেই।
সরকারি তালিকা অনুযায়ী ১২০ গ্রামের বনরুটির একক মূল্য ২৩ টাকা, ৬০ গ্রামের সিদ্ধ ডিমের মূল্য ১৩ টাকা এবং ১০০ গ্রামের কলার মূল্য ধরা হয়েছে ৯ টাকা।
বরাদ্দকৃত টাকা দিয়ে যে মানের খাবার দেওয়ার কথা, বাস্তবে পাচ্ছে নিম্নমানের খাবার। তালিকায় বিস্কুটের নাম উল্লেখ থাকলেও এখনো শুরু হয়নি বিস্কুট বিতরণ।
কয়েকটি স্কুলের শিশু এবং প্রধান শিক্ষকদের বক্তব্য অনুযায়ী খাবারের মান খুবই খারাপ এবং কিছু স্কুলে শতভাগ, এবং কিছু স্কুলে ১৫-৩৫ % শিশুরা বঞ্চিত হচ্ছে ফিডিং কর্মসূচী থেকে।
নকলা সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফখরুল ইসলাম বলেন, আমরা যখন খাবার বিতরণ করি এবং শেষ হয়ে যায় তখন কিছু বাদ পরা শিশু শিক্ষার্থীরা আমাদের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে, তখন আমাদের সকল শিক্ষকরা মর্মাহত হই। আমাদের কিছু শিক্ষার্থীরা মাঝে মাঝে পঁচা ডিম এবং পঁচা কলা পায়ে আমাদের কাছে অভিযোগ করে থাকে, যার কোন সঠিক উত্তর আমরা দিতে পারিনা।
গোয়ালের কান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমার স্কুলে ২৫ সালের তালিকা অনুযায়ী শিক্ষার্থী রয়েছে ১ শত ১৫ জন এর মধ্যে ফিডিং কর্মসূচীর খাবার পায় ৭৩জন শিক্ষার্থী। তার পরও কলার মান ভালো না।
জাঙ্গিরারপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উমর ফারুক বলেন, আমার ২ শত ৫০ জন শিশু শিক্ষার্থী তার মধ্যে ফিডিং কর্মসূচীতে খাবার পাচ্ছে ২শত ১৫ জন। যারা খাবার বঞ্চিত হয় তাদেরকে খাবার না দিতে পেরে আমরা বিব্রত হই, এব্যাপারে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
উক্ত বিষয়ে ফিডিং কর্মসূচীর উপজেলা কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমের সাথে বুধবার দুপুরে পৌরসভা কার্যালয়ে সাক্ষাতে কথা হলে তিনি বলেন, আমরা শিক্ষকদের নিয়ে গ্রুপ তৈরি করেছি যেগুলো ঘাটতি আছে সেগুলো সমন্বয় করা হবে।
বিষয়টি নিয়ে (নকলা-নালিতাবাড়ী) শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরী (এমপি) বলেন, সমস্যা গুলো আমাকে ফাইন্ড আউট করে পাঠান , আমি কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিষয়টি সমাধানের ব্যবস্থা করব ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...