Logo Logo

২ মাসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস ও মিড ডে মিল দেওয়ার ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর


Splash Image

ন্যাশনাল বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে ঝরে পড়ার হার কমাতে সরকার সারাদেশের শিশুদের জন্য স্কুল ড্রেস ও মিড ডে মিল কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


বিজ্ঞাপন


বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে ন্যাশনাল বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে বর্তমান সরকার শিশুদের শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর একটি বক্তব্য তুলে ধরে বলেন, এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছিলেন, তিনি যখন ইংল্যান্ডে অবস্থান করতেন, তখন তাঁর বাসার সামনে দিয়ে ছোট ছোট শিশুরা সুন্দর পোশাক, জুতা-মোজা পরে এবং কাঁধে ব্যাগ নিয়ে বিদ্যালয়ে যেত। সেই দৃশ্য দেখে তিনি ভাবতেন, কবে বাংলাদেশের শিশুরাও এমন সুযোগ-সুবিধা পাবে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “ইনশাআল্লাহ, সেই ব্যবস্থা হয়ে গেছে। আগামী দুই মাসের মধ্যেই আপনারা দেখতে পাবেন, আমরা সারা বাংলাদেশের শিশুদের জন্য স্কুল ড্রেসের ব্যবস্থা করেছি।”

তিনি আরও জানান, চলতি বছরের মধ্যেই দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য মিড ডে মিল কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষাকে আরও আনন্দময় ও শিক্ষার্থীবান্ধব করতে খেলাধুলাকে পাঠ্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। যাতে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সঙ্গে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে, সে লক্ষ্যে সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

তিনি বলেন, শিশুদের সার্বিক বিকাশ এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। সুশিক্ষা, খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি সুস্থ, দক্ষ ও যোগ্য প্রজন্ম গড়ে তুলতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, দেশের কোনো শিক্ষার্থীকে ড্রেসবিহীন রাখা হবে না। পাশাপাশি অবকাঠামোগত সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হবে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...