বিজ্ঞাপন
পরিদর্শন শেষে নীলফামারী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সচিব জানান, উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলার মানুষের আধুনিক ও উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতেই কৌশলগতভাবে এই মধ্যবর্তী স্থানটি নির্বাচন করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে এই অঞ্চলের মানুষ বিশেষায়িত চিকিৎসার অভাবে যে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন, এই হাসপাতালটি হবে তার স্থায়ী সমাধান। এটি এই অঞ্চলের স্বাস্থ্যখাতে এক যুগান্তকারী উদ্যোগ হতে যাচ্ছে।
প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরে সচিব আরও বলেন, এই মেগা প্রজেক্টটি বাস্তবায়নে গণপূর্ত অধিদপ্তর ও স্থাপত্য বিভাগসহ মোট চারটি বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সব ধরনের আইনি ও কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যেই নির্মাণকাজ শুরু করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১০০০ শয্যার এই হাসপাতালে ৫০০ শয্যা থাকবে সাধারণ রোগীদের জন্য এবং বাকি ৫০০ শয্যা থাকবে অত্যাধুনিক ও বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে। যেখানে হৃদরোগ ও কিডনি রোগসহ বিভিন্ন জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগের উন্নত চিকিৎসা একই ছাদের নিচে পাওয়া যাবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে এতদিন ঢাকার সমমানের কোনো বিশেষায়িত হাসপাতাল না থাকায় জরুরি প্রয়োজনে রোগীদের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হতো। এই হাসপাতালটি নির্মিত হলে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ১৬ জেলার মানুষের সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম, রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি মো. আমিনুল ইসলাম এবং নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নাযিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. সাইদুল ইসলাম ও গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাকিউজ্জামানসহ উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ছিলেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...