বিজ্ঞাপন
উপজেলার গ্রামীণ জনপদে ভারী পণ্য পরিবহনের জন্য স্থানীয়ভাবে এসব ট্রলি ব্যবহৃত হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে এগুলোর কোনো আইনি বৈধতা নেই। অতিরিক্ত ওজন বহন করে হালকা যানবাহন চলাচলের উপযোগী রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করায় পিচ ঢালাই ও ইটের সড়কগুলো অল্প সময়ের মধ্যেই চলাচলের যোগ্যতা হারাচ্ছে। এতে সরকারের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
সড়ক নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও এসব ট্রলি এখন বড় হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে। এসব যানবাহনের চালকদের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ বা ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। ফলে আনারি চালকদের বেপরোয়া গতি ও নিয়ন্ত্রণহীন চলাচলের কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে মহাসড়কগুলোতে এসব ধীরগতির ও অদক্ষ চালিত যান উঠে পড়ায় যাত্রীবাহী বাস ও অন্যান্য যানবাহনের সাথে সংঘর্ষের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে।
পরিবেশ ও স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টিও বর্তমানে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানহীন ইঞ্জিনের এসব ট্রলি থেকে নির্গত ঘন কালো ধোঁয়া ও চলাচলের সময় সৃষ্ট ধুলাবালিতে গ্রামীণ পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। এর ফলে এলাকার শিশু ও বৃদ্ধরা হাঁপানি, শ্বাসকষ্টসহ ফুসফুসের বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, মালামাল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এসব ট্রলি কিছুটা সহজলভ্য হলেও এর দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি অপূরণীয়। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সড়কে এসব অবৈধ যানের বেপরোয়া চলাচল বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ ও কার্যকর নজরদারি এখন সময়ের দাবি।
প্রতিবেদক- মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বরিশাল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...