বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে সরকারি উদ্যোগে নিয়মিত টিফিন সরবরাহের নিয়ম থাকলেও বাস্তবে তার চিত্র ভিন্ন। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিনের পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে বিদ্যালয়গুলোতে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি এসব খাবার খেয়ে অনেক শিক্ষার্থীর পেটব্যথা ও বমির মতো উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা জানান, সন্তানদের সুস্থতা ও শিক্ষার কথা ভেবে তারা স্কুলে পাঠান। কিন্তু সেখানে যদি এভাবে নষ্ট ও মানহীন খাবার পরিবেশন করা হয়, তবে শিশুদের জীবন বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়বে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকির অভাবেই সরবরাহকারীরা এমন সাহস পাচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।
সচেতন মহলের মতে, শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য মানসম্মত পুষ্টি অপরিহার্য। স্কুল পর্যায়ে খাবারে এই ধরনের অবহেলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার আমিনুল ইসলাম জানান, কয়েকটি বিদ্যালয়ে মানহীন খাবার সরবরাহের খবর তারা পেয়েছেন। বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং নিরাপদ খাদ্য পরিবেশনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।
প্রতিবেদক- মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বরিশাল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...