বিজ্ঞাপন
স্থানীয় ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহখানেক আগে মসজিদ থেকে প্রথম একটি সিলিং ফ্যান চুরির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই গত ২৩ এপ্রিল দুপুর আনুমানিক তিনটার দিকে আরও দুটি ফ্যান উধাও হয়ে যায়। আশ্চর্যের বিষয় হলো, মসজিদটির অবস্থান স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর আল-আমিন ইসলামের বাসার ঠিক সামনেই। এমন একটি প্রকাশ্য ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চুরির ঘটনা এলাকাবাসীকে হতবাক করেছে।
মুসল্লিদের ধারণা, চোরচক্র বেশ পরিকল্পিতভাবেই এই চুরির ছক কষেছে। সিসিটিভি ক্যামেরায় যাতে তাদের ছবি ধরা না পড়ে, সেজন্য তারা সুকৌশলে এলাকার লোডশেডিংয়ের সময়টিকে বেছে নিয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে অত্যন্ত নির্বিঘ্নে ফ্যানগুলো খুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে লোডশেডিংয়ের সুযোগ নিয়ে ছিঁচকে অপরাধের প্রবণতা বাড়লেও, খোদ মসজিদে এমন চুরির ঘটনা স্থানীয়দের আরও বেশি ভাবিয়ে তুলেছে।
এ ঘটনায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মসজিদের নিয়মিত মুসল্লিরা। এক প্রবীণ মুসল্লি আক্ষেপ করে ভোরের বাণী-কে বলেন, "আল্লাহর ঘরেও যদি চোরের থাবা পড়ে, তাহলে সাধারণ মানুষের বাড়িঘরের নিরাপত্তা কোথায়? যারা পবিত্র মসজিদ থেকে ফ্যান চুরি করার মতো হীন কাজ করতে পারে, তারা কি আদৌ মানুষ?"
মসজিদসহ আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তারা অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ (বিদ্যুৎ আসার পূর্বাপর) বিশ্লেষণ ও তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধের মাত্রা আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...