বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, চলমান প্রকল্পের আওতায় এই সড়কের মোট ৭টি কালভার্টের মধ্যে ইতোমধ্যে ৬টির পুরোনো কাঠামো ভেঙে পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। তবে টেকসই বিকল্প সড়ক নির্মাণ না করায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নামমাত্র কিছু বিকল্প পথ তৈরি করলেও সেগুলো চলাচলের অনুপযোগী। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব কাঁচা পথ কর্দমাক্ত হয়ে পানির নিচে তলিয়ে যায়। সড়ক ব্যবহারকারী মুদি দোকানি নুরে আলম জমাদ্দার বলেন, ভাঙা কালভার্টের কংক্রিট ও মাটি দিয়ে যে অস্থায়ী রাস্তা করা হয়েছে, তা ১০ মিনিটের বৃষ্টিতেই ডুবে যায়। তখন যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। পথচারী আইয়ুব আলী মুন্সি জানান, যানবাহন তো দূরের কথা, হেঁটে চলাচল করাই এখন দায় হয়ে পড়েছে।
প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে দুই ইউনিয়নের সহস্রাধিক মানুষ এবং দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করে। বর্তমানে যান চলাচল বন্ধ থাকায় চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। এছাড়া কাজের গতি অত্যন্ত ধীর হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স বরেন্য এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী সালেহ হাসান বলেন, "বিকল্প সড়ক নির্মাণের জন্য আলাদা কোনো সরকারি বরাদ্দ না থাকায় টেকসই ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করে সড়কটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।"
এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আবদুল্লাহ হেল বাকী বিল্লাহ জানান, কালভার্ট নির্মাণে বিকল্প সড়কের জন্য বরাদ্দ সীমিত থাকে। তবে জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার জন্য ঠিকাদারকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...