Logo Logo

শেরপুরে দুর্ধর্ষ চুরি: মাদক কারবারিদের বাধা দেওয়ায় এই চুরি বলে পরিবারের সন্দেহ


Splash Image

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে এক দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা ঘরের তালা ভেঙে স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, বাড়ির সামনে দিয়ে যাতায়াতে বাধা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয় বখাটে ও মাদক কারবারিরা পরিকল্পিতভাবে এই চুরির ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামে এই চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কৃষ্ণপুর গ্রামের এবাজ উদ্দিনের ছেলে সোহেল রানা পেশায় একটি চায়না প্রজেক্টে কর্মরত। সম্প্রতি তার স্ত্রী মায়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ায় তাদের বসতবাড়িটি সম্পূর্ণ ফাঁকা ছিল। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে রাতের আঁধারে সংঘবদ্ধ চোরেরা বাড়ির মূল ফটকের তালা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে।

এরপর তারা ঘরের আলমারি ও বাক্সের তালা ভেঙে আনুমানিক ১ ভরি সোনার গহনা, রুপার গহনা, নগদ অর্থ, বাড়ির মেইন বৈদ্যুতিক তার এবং বেশ কিছু নতুন পোশাক লুট করে নিয়ে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। পরদিন ভোরে প্রতিবেশী সোহাগ হোসেন চুরির বিষয়টি প্রথম টের পান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল ফোনে সোহেল রানাকে খবর দিলে তিনি দ্রুত বাড়িতে ছুটে আসেন এবং চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হন।

এদিকে, চুরির পেছনের কারণ সম্পর্কে সোহেল রানার স্ত্রী সন্দেহ প্রকাশ করে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তিনি জানান, বেশ কয়েকদিন ধরেই তাদের এলাকায় মাদক কারবারি ও বখাটেদের আনাগোনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। ঘটনার ঠিক আগের দিন কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে অযাচিতভাবে যাতায়াত করছিল। এ সময় বাড়ির সামনে বসে থাকা নারীরা তাদের বাড়ির সীমানার ভেতর দিয়ে না গিয়ে পাশ দিয়ে যেতে বললে তারা তা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে। পরবর্তীতে তাদের এই পথ ব্যবহার করতে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয় এবং ওই আক্রোশ থেকেই ফাঁকা বাড়ি পেয়ে এই চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে বলে পরিবারের ধারণা।

এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মঈনুদ্দীন বলেন, চুরির ঘটনার বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে, সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

এলাকায় চুরি ও মাদক কারবারিদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত পুলিশি টহল বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...