বিজ্ঞাপন
শনিবার (৯ মে) বিকেল ৫টার দিকে ভারতের হরিদাসপুর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের মাধ্যমে তাকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ফেরত আসা নুপুর মুন্সিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার রামপাল ইউনিয়নের সিপাহিপাড়া গ্রামের স্বপন হোসাইন মিয়াজির মেয়ে।
ভারতের ব্যুরো অব ইমিগ্রেশন হরিদাসপুর সূত্রে জানা যায়, মুম্বাইস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন থেকে ইস্যুকৃত ট্রাভেল পারমিট এবং ভারতের এফআরআরও মুম্বাইয়ের এক্সিট পারমিটের ভিত্তিতে তাকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলাকালীন উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি-বিএসএফ), পুলিশ ও মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ইমিগ্রেশন পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুপুর জানান যে ২০২৪ সালে উন্নত জীবনের প্রলোভনে দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট ছাড়াই অবৈধভাবে ভারতে পাচার হয়েছিলেন তিনি। সেখানে পৌঁছানোর কিছুদিনের মধ্যেই পুলিশের হাতে আটক হন। পরবর্তীতে দেশটির একটি মানবাধিকার সংস্থা তাকে ছাড়িয়ে নিজেদের শেল্টার হোমে আশ্রয় দেয় এবং দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করে।
বেনাপোল স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশ পরিদর্শক সৈয়দ মোর্তজা জানান, ফেরত আসা নারীর ট্রাভেল পারমিটসহ সব নথিপত্র যাচাই শেষে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার জন্য বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে ওই নারীকে তার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছে ‘যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামের একটি মানবাধিকার সংস্থা। সংস্থার ভলান্টিয়ার শফিকুল ইসলাম জানান, পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা আসা না পর্যন্ত তিনি সংস্থার হেফাজতেই থাকবেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...